দ্বিতীয় জিয়া হওয়ার স্বপ্ন থেকে রাজপথের সংগ্রাম : একটি আজন্ম অঙ্গীকার
শৈশবের সেই স্বপ্ন:
তৃতীয় শ্রেণির বাংলা বইয়ে পড়েছিলাম মহান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের বীরত্বগাথা। তখন রাজনীতি বুঝতাম না, দল বুঝতাম না; শুধু বুঝতাম জিয়াউর রহমান হতে হলে আমাকে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে হবে। মনে মনে স্বপ্ন দেখতাম, দেশ আবার বিপদে পড়লে আমিই যুদ্ধের ঘোষণা দেব, ঠিক মেজর জিয়ার মতো। সেই শৈশব থেকেই ‘জিয়া’ নামটির সাথে আমার হৃদয়ের টান।
একটি মধুর স্মৃতি:
রাজনীতিতে তখন আমি একদমই নবীন। একদিন রাজনৈতিক কর্মসূচি শেষ করে বাসায় ফিরলে আমার দুলাভাই জিজ্ঞেস করেছিলেন, “জিয়াউর রহমানের বাবার নাম কী?” আবেগের বশে সেদিন বলেছিলাম “তারেক রহমান”। সেই ভুল উত্তরের পেছনেও যে নেতার প্রতি কতটা গভীর ভালোবাসা লুকিয়ে ছিল, তা আজ বড় হয়ে উপলদ্ধি করি।
রাজপথের লড়াই ও ত্যাগ:
শৈশবের সেই ভালোবাসা আজ এক আদর্শিক লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্ব এবং দেশনায়ক তারেক রহমানের সুযোগ্য দিকনির্দেশনায় রাজপথে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে নিজেকে সঁপে দিয়েছি। আমার জন্য সবচেয়ে বড় গর্বের বিষয় হলো, এই সংগ্রামে আমার জীবনসঙ্গিনীও পাশে ছিলেন। গর্ভাবস্থায় সব প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে তিনি দেশনেত্রীর মুক্তির মিছিলে রাজপথ কাঁপিয়েছেন।
আমাদের অঙ্গীকার:
আমরা পদের জন্য নয়, সুযোগ-সুবিধার জন্য নয়, বরং এক আদর্শের টানে রাজনীতি করি। ইনশাআল্লাহ, আমি এবং আমার পরিবার সারাজীবন জিয়া পরিবারের বিশ্বস্ত ভ্যানগার্ড হয়ে গণতন্ত্রের লড়াইয়ে রাজপথে থাকবে।
মোঃ রিয়াজ মাতুব্বর
সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক পিরোজপুর সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদল,
সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক পিরোজপুর সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল,আহবায়ক পিরোজপুর সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল।

















