প্রেস টাইমস্‌ ২৪ । Press Times 24

আজ- শুক্রবার, ১৩ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৪শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

আজ- ১৩ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৪ লাখ ৯৭ হাজার ৫’শ শিশু-কিশোর পাবে টিসিভি টিকা: চাঁপাইনবাবগঞ্জে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন এর উদ্বোধন

৪ লাখ ৯৭ হাজার ৫’শ শিশু-কিশোর পাবে টিসিভি টিকা: চাঁপাইনবাবগঞ্জে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন এর উদ্বোধন

বিশেষ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি: শিশুদের টাইফয়েড রোগ থেকে সুরক্ষিত রাখতে সারা দেশের মতো টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন এর উদ্বোধন হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে।

রবিবার (১২ অক্টোবর) সকালে জেলা শহরের হরিমোহন সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন এর উদ্বোধন করেন জলা প্রশাসক (যুগ্ম সচিব) মো. আব্দুস সামাদ।

মাসব্যাপী এ কর্মসূচির আওতায় ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী প্রায় ৪ লাখ ৯৭ হাজার ৫০০ শিশু টাইফয়েড টিকা দেয়া হবে। সিভিল সার্জন অফিসের আয়োজনে এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় আয়োজিত এ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মুহাম্মদ মশিউর রহমান, সিভিল সার্জন ডাঃ এ. কে. এম. শাহাব উদ্দীন, জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক শুকলাল বৈদ্য, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ইয়াসির আরাফাত, ইসলামিক ফাউন্ডেশন চাঁপাইনবাবগঞ্জের উপ-পরিচালক গোলাম মোস্তফা, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সৈয়দ মো. সুমন, জেলা হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক আব্দুস সামাদ, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. সুলতানা পাপিয়া এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার চাঁপাইনবাবগঞ্জের মেডিকেল অফিসার ডা. ফারহানা হকসহ অন্যরা।

স্বাস্থ্য বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, জেলায় প্রথমবারের মতো ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী মোট ৪ লাখ ৯৭ হাজার ১৫৭ জন শিশু-কিশোরকে টাইফয়েড টিকা দেওয়া হবে। এর মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত স্কুল ও মাদ্রাসায় এই টিকা পাবে। পরে ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী অন্যান্য শিশুরা কমিউনিটি পর্যায়ে টিকা গ্রহণ করতে পারবে।

স্বাস্থ্য বিভাগ সুত্র আরো জানায়, “শিশুদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতে টাইফয়েড টিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো শিশুই যেন টিকার বাইরে না থাকে।” “টাইফয়েড প্রতিরোধে এই টিকাদান কর্মসূচি বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য উন্নয়নের একটি মাইলফলক উদ্যোগ।”

জেলার সকল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র, সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে এই টিকা দেওয়া হচ্ছে। শিশুদের টিকা প্রদানে স্বাস্থ্য বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, শিক্ষা বিভাগ ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা একযোগে কাজ করছে।

টাইফয়েড টিকা নিরাপদ ও কার্যকর, এটি শিশুর শরীরে দীর্ঘমেয়াদে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, টাইফয়েড হলো পানিবাহিত একটি সংক্রামক ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ, যা শিশুদের মধ্যে জ্বর, ডায়রিয়া ও মারাত্মক শারীরিক জটিলতা সৃষ্টি করে। সময়মতো টিকা না পেলে এ রোগ প্রাণঘাতী হতে পারে। সরকারের এই উদ্যোগ শিশু মৃত্যু হ্রাস, জনস্বাস্থ্যের মানোন্নয়ন এবং রোগপ্রতিরোধ সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। শিশুদের সুস্থ রাখতে এই টিকা একটি জীবনরক্ষাকারী সুরক্ষা।”

জেলায় টিকাদান কর্মসূচীর লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সকলে মিলেই আন্তরিকভাবে চেষ্টা চালানো হচ্ছে, কর্মসূচী সফল হবে। টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন বা টিসিভি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রি-কোয়ালিফায়েড। বাজারে টাইফয়েডের যেসব টিকা আছে, তার তুলনায় আরও বেশি কার্যকর। এই টিকা শিশু-কিশোরদের পরবর্তী ৫ বছর পর্যন্ত সুরক্ষা দেবে। এছাড়াও নতুন এই টিকা সম্পূর্ণ হালাল। #

এইরকম আরও খবর

সর্বশেষ খবর

প্রতিষ্ঠার প্রায় চার বছর পরে পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, মাস্টারপ্ল্যান ও উন্নয়ন প্রকল্প পরিকল্পনার জন্য পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর