1. akmolbangladesh@gmail.com : Press Times :
শিরোনামঃ
‘এম. আই. টেলিভিশন’ এর ৩য় বর্ষপূর্তি উদযাপন পারিবারিক বিরোধ ও হতাশার কারনে পিরোজপুরের নাজিরপুরে ছেলের হাতে মায়ের হত্যা : ছেলে গ্রেপ্তার “আরবি নববর্ষ” মুফতি যুবায়ের আহমাদ পিরোজপুরে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে বিএনপি’র সমাবেশ  শিক্ষক সমিতি’র পক্ষ থেকে ইন্দুরকানীর নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যানকে সংবর্ধনা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ৭৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী (প্লাটিনাম জয়ন্তী) উপলক্ষে যুবলীগের আয়োজনে বৃক্ষ রোপন  পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে সরকারি গাছ কাটা হলেও ব্যবস্থা নেয়নি বন বিভাগ কতৃপক্ষ পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে সরকারি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ আওয়ামীলীগ নেতার বিরুদ্ধে আগামী ১ আগস্ট শুরু হচ্ছে পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ব্যাচ এর ক্লাশ শুরু নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে পিরোজপুরে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ৭৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

পদ্মা সেতুর ব্যয় ২৭ হাজার ৭৩২ কোটি : প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেট টাইমঃ বুধবার, ২২ জুন, ২০২২
  • ৮৩ মোট ভিউ

উইমেন ডেস্ক : পদ্মা সেতুর ব্যয় ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা ধরা হলেও ২৭ হাজার ৭৩২ কোটি ৮ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (২২ জুন) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ৪০০ কেভি ট্রান্সমিশন লাইন টাওয়ার ও গ্যাস লাইনের এক হাজার কোটি টাকা ব্যয়সহ মূল সেতু নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছিল ১২ হাজার ১৩৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা, কিন্তু ব্যয় হয়েছে ১১ হাজার ৯৩৮ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। এছাড়া নদী শাসনে ৮ হাজার ৭০৬ কোটি ৯১ লাখ, অ্যাপ্রোচ সড়কে এক হাজার ৮৯৫ কোটি ৫৫ লাখ, পুনর্বাসনে এক হাজার ১১৬ কোটি ৭৬ লাখ এবং ভূমি অধিগ্রহণে ব্যয় হয়েছে ২ হাজার ৬৯৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকা।

শেখ হাসিনা বলেন, আগামী ২৫ জুন (শনিবার) বহুল আকাঙ্ক্ষিত পদ্মা সেতুর শুভ উদ্বোধন হবে, ইনশাআল্লাহ। পদ্মা সেতু আমাদের অহঙ্কার, আমাদের প্রমত্তা পদ্মা নদী দেশের দক্ষিণাঞ্চলকে রাজধানী ঢাকা এবং অন্যান্য জেলা থেকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে। দক্ষিণাঞ্চলে বসবাসকারী মানুষেরাই জানেন, কী ঝুঁকি নিয়ে আর কত কষ্ট এবং সময় ব্যয় করে রাজধানীতে পৌঁছাতে হয়।

তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পর আমি ১৯৯৭ সালে জাপান সফর করি। পদ্মা নদী এবং রূপসা নদীর উপর সেতু নির্মাণের প্রস্তাব করি। জাপান সরকার দু’টি নদীর উপরই সেতু নির্মাণে রাজি হয়। যেহেতু পদ্মা অনেক খরস্রোতা, বিশাল নদী, তাই পদ্মা নদী সমীক্ষা শুরু করে। আর রূপসা নদীর উপর আমার অনুরোধে আগেই নির্মাণ কাজ শুরু করে। ২০০১ সালে পদ্মার উপর সেতু নির্মাণের সমীক্ষার তথ্য আমাদের দেয়। জাপানের সমীক্ষায় মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতু নির্মাণের স্থান নির্বাচন করা হয়। এই সমীক্ষার ভিত্তিতে ২০০১ সালের ৪ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে আমি মুন্সীগঞ্জের মাওয়ায় পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করি। কিন্তু ২০০১ সালের নির্বাচনে আমরা সরকারে আসতে পারিনি। ক্ষমতায় এসে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার মাওয়া প্রান্তে সেতু নির্মাণের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় এবং জাপান সরকারকে পুনরায় মানিকগঞ্জের আরিচা প্রান্তে পদ্মা সেতুর জন্য সমীক্ষা করতে বলে। দ্বিতীয়বার সমীক্ষার পর জাপান মাওয়া প্রান্তকেই নির্দিষ্ট করে পদ্মা সেতু নির্মাণের রিপোর্ট পেশ করে। সরকারপ্রধান বলেন, ২০০৯ সালে আমরা আবার সরকারের দায়িত্বে এসে পদ্মা সেতু নির্মাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করি। সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার ২২ দিনের মাথায় পদ্মা সেতুর পূর্ণাঙ্গ নকশা তৈরির জন্য নিউজিল্যান্ডভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ‘মনসেল এইকম’-কে নিয়োগ দেওয়া হয়। শুরুতে সেতু প্রকল্পে রেল চলাচলের সুবিধা ছিল না। আমি রেল সুবিধা যুক্ত করে চূড়ান্ত নকশা প্রণয়নের নির্দেশ দেই।

তিনি বলেন, ২০১০ সালের মধ্যে নকশা চূড়ান্ত হয়ে যায়। পরের বছর জানুয়ারিতে ডিপিপি সংশোধন করা হয়। সংশোধনীতে প্রকল্পের ব্যয় দাঁড়ায় ২০ হাজার ৫০৭ কোটি টাকা। ব্যয় বৃদ্ধির পেছনে কয়েকটি কারণ ছিল। শুরুতে মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ধরা হয়েছিল ৫ দশমিক ৫৮ কিলোমিটার। পরে তা বৃদ্ধি পেয়ে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রথম ডিপিপিতে সেতুর ৪১টি স্প্যানের মধ্যে তিনটির নিচ দিয়ে নৌযান চলাচলের ব্যবস্থা রেখে নকশা করা হয়েছিল। পরে ৩৭টি স্প্যানের নিচ দিয়ে নৌযান চলাচলের সুযোগ রাখার বিষয়টি যুক্ত করা হয়। সংশোধিত ডিপিপিতে বেশি ভার বহনের ক্ষমতাসম্পন্ন রেল সংযোগ যুক্ত করা হয়। কংক্রিটের বদলে ইস্পাত বা স্টিলের অবকাঠামো যুক্ত হয়। সেতু নির্মাণে পাইলিংয়ের ক্ষেত্রেও বাড়তি গভীরতা ধরা হয়। বাড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের পুনর্বাসন ব্যয়ও। ২০১৬ সালে যখন ব্যয় বৃদ্ধি করা হয়, তখন মূল সেতু নির্মাণ, নদীশাসনসহ সব কাজের ঠিকাদার নিয়োগ সম্পন্ন হয়ে যায়। এর মধ্যে ডলারের বিপরীতে টাকার মান প্রায় ৯ টাকা কমে যায়। ১ দশমিক ৩ কিলোমিটার নদীশাসনের কাজ নতুন করে যুক্ত হয়। মূল সেতু, নদীশাসন ও সংযোগ সড়কে যে পরিমাণ অর্থে ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়ার প্রাক্কলন করা হয়েছিল, তা থেকে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা বেড়ে যায়। এছাড়া জমি অধিগ্রহণে খরচ বাড়ে, ফেরিঘাট সরাতে ব্যয় হয় এবং নিরাপত্তায় সেনাবাহিনীকে যুক্ত করা হয়। ২০১৮ সালে সর্বশেষ ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা ব্যয় বৃদ্ধি পায় জমি অধিগ্রহণের কারণে। আগে নদীশাসনের কারণে তোলা বালু ফেলার জন্য জমি ইজারা নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেটা সম্ভব হয়নি। শেষমেশ নদীর চরে এই কাজের জন্য জমি অধিগ্রহণ করতে হয়।

তিনি বলেন, ২০১১ সালের এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে সেতু প্রকল্পে অর্থায়নের বিষয়ে বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), জাইকা ও ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকের (আইডিবি) সঙ্গে ঋণচুক্তি সই করা হয়। এরপর শুরু হয় ষড়যন্ত্র। সেই ষড়যন্ত্রের পেছনে কে বা কারা ছিল তা আমি বহুবার বলেছি। ক্ষুদ্র ব্যক্তি স্বার্থের জন্য দেশের মানুষের কেউ ক্ষতি করতে পারে এটা সত্যিই কল্পনার বাইরে ছিল। কিছু কিছু বিষয়ে প্রভাব বিস্তার করতে এই ষড়যন্ত্রকারীরা ছাড়াও বিশ্বব্যাংকের অভ্যন্তরের একটি গ্রুপ ছিল যারা অন্যায্যভাবে চেয়েছিল। প্রাক-যোগ্য ঠিকাদার নির্বাচনের এক পর্যায়ে বিশ্বব্যাংক, কারিগরি কমিটিকে একটি প্রাক যোগ্য ঠিকাদারকে বিশ্বব্যাংকের কালো তালিকাভুক্ত থাকার কারণে বাদ দিতে বলে এবং একটি প্রাক-যোগ্যতায় অযোগ্য ঠিকাদারকে যোগ্য করতে বলে।

শেখ হাসিনা বলেন, অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরীর নেতৃত্বে কারিগরি কমিটি প্রাক-যোগ্য কোয়ালিফায়েড দরদাতাকে বিশ্বব্যাংকের কালো তালিকাভুক্তির কারণে বাদ দেয়। কিন্তু প্রাক-যোগ্যতা যাচাই-বাছাইয়ে অযোগ্য দরদাতাকে অভিজ্ঞতার জাল সার্টিফিকেট দেওয়ায় যোগ্য করতে অস্বীকৃতি জানায়। বিশ্বব্যাংক এই প্রতিষ্ঠানকে যোগ্য করার লক্ষ্যে তার অনুকূলে পরোক্ষ চাপ দিতে থাকে। এরপরই তারা পদ্মা সেতুর কার্যক্রমে বাধা দিতে থাকে। একটা পর্যায়ে বিশ্বব্যাংকের তিন সদস্যের বিশেষজ্ঞ প্যানেল চেয়ারম্যান লুইস মোরেনো ওকাম্পোকে ঢাকায় পাঠায়। ওকাম্পো ঢাকায় এসে সরকারবিরোধী বিভিন্ন ব্যক্তি-গোষ্ঠীর সঙ্গে বৈঠক করেন। তিনি অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান, তৎকালীন সেতু বিভাগের সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া এবং যোগাযোগ মন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করার কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা দুদককে তদন্ত করার নির্দেশ দেই। দুদক কোনো দুর্নীতি পায় না। পরে কানাডার আদালতেও প্রমাণ হয় পদ্মা সেতুতে কোনো দুর্নীতি হয়নি। মূলত বিশ্বব্যাংকের বিশেষজ্ঞ প্যানেলের প্রধান লুইস মোরেনো ওকাম্পোর নেতিবাচক রিপোর্টে বাংলাদেশের স্বপ্ন পদ্মা সেতুর অর্থায়ন থেকে বিশ্বব্যাংক সরে যায়। ২০১২ সালের ৯ জুলাই মন্ত্রিপরিষদের এক বৈঠকে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের ঘোষণা দেই। আন্তর্জাতিক অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে পদ্মা সেতুর জন্য অর্থ না নেওয়ার কথাও জানিয়ে দেওয়া হয়। এরপর আপনারা দেখেছেন আমাদের দেশের এক শ্রেণির বুদ্ধিজীবী এবং অর্থনীতিবিদরা কীভাবে মনগড়া সমালোচনায় মেতে উঠেছিল। পুরো নির্মাণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে। পদ্মা সেতুর পাইল বা মাটির গভীরে বসানো ভিত্তি এখন পর্যন্ত বিশ্বে পদ্মা সেতু নির্মাণ কাজের গুণগতমানে কোনো আপস করা হয়নি। এই সেতু নির্মিত হয়েছে বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও উপকরণ গভীরতম। সর্বোচ্চ ১২২ মিটার গভীর পর্যন্ত এই সেতুর পাইল বসানো হয়েছে। ভূমিকম্প প্রতিরোধ বিবেচনায় ব্যবহৃত হয়েছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি।

প্রধানমন্ত্রী বলনে, ভূমি অধগ্রিহণরে ফলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ক্ষতগ্রিস্ত পরবিারগুলোর পুর্নবাসনরে যথাযথ ব্যবস্থা আমরা নযি়ছে।ি ভূমহিীনসহ ক্ষতগ্রিস্ত পরবিারগুলোকে আবাসকি ও বাণজ্যিকি প্লট বরাদ্দ দওেয়া হয়ছে।ে অতরিক্তি সহায়তা, ভটিা উন্নয়ন সহায়তা দওেয়া হয়ছে।ে তাদরে জীবনযাত্রার মানোন্নয়নরে জন্য র্কমমুখী ও আয়র্বধনমূলক বভিন্নি প্রশক্ষিণ দওেয়া হয়ছে।ে পরবিশে রক্ষার জন্য পুর্নবাসতি এলাকাকে ‘পদ্মা সতেু বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য’ হসিবেে ঘোষণা করছে।ি বহুমুখী এই সতেুর উপররে ডকে দযি়ে যানবাহন এবং নচিরে ডকে দযি়ে চলাচল করবে ট্রনে। সতেু চালু হওয়ার পর সড়ক ও রলেপথে দশেরে দক্ষণিাঞ্চলরে ২১টি জলোর সঙ্গে রাজধানী ঢাকার সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন সম্ভব হব।ে এর ফলে এ অঞ্চলরে মানুষরে একদকিে র্দীঘদনিরে ভোগান্তি লাঘব হব,ে অন্যদকিে র্অথনীতি হবে বগেবান। আশা করা হচ্ছে এ সতেু জডিপিি প্রবৃদ্ধতিে ১ দশমকি দুই-তনি শতাংশ হারে অবদান রাখবে এবং প্রতি বছর দশমকি আট-চার শতাংশ হারে দারদ্র্যি নরিসন হব।ে

তনিি বলনে, এ সতেুকে ঘরিে গড়ে উঠবে নতুন র্অথনতৈকি অঞ্চল ও হাইটকে র্পাক। ফলে দশে-িবদিশেি বনিযি়োগ আকৃষ্ট হবে এবং দশেরে শল্পিায়নরে গতি ত্বরান্বতি হব।ে পদ্মা সতেু এশযি়ান হাইওয়রে সঙ্গে সংযোগরে একটা বড় লংিক। তাই আঞ্চলকি বাণজ্যিে এই সতেুর ভূমকিা অপরসিীম। তাছাড়া পদ্মার দু’পাড়ে র্পযটন শল্পিরেও ব্যাপক প্রসার ঘটব।ে হাজার হাজার মানুষরে শ্রমে এই স্বপ্নরে সতেু নর্মিতি হয়ছে।ে বাংলাদশে ছাড়াও চীন, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, র্জামান,ি অস্ট্রলেযি়া, নউিজল্যিান্ড, নদোরল্যান্ডস, সঙ্গিাপুর, জাপান, ডনের্মাক, ইতাল,ি মালয়শেযি়া, কলম্বযি়া, ফলিপিাইন, তাইওয়ান, নপোল ও দক্ষণি আফ্রকিার বশিষেজ্ঞ এবং প্রকৌশলী এই সতেু নর্মিাণরে সঙ্গে জড়তি ছলিনে। আজ সব ষড়যন্ত্র-প্রতবিন্ধকতা মোকাবলিা করে পদ্মা সতেু নর্মিতি হয়ছে।ে মহান রাব্বুল আলামনিরে কাছে লাখো শুকরযি়া। আমি বাংলাদশেরে মানুষকে ধন্যবাদ জানাতে চাই- তারা আমার পাশে ছলিনে। তাদরে সহযোগতিার জন্যই আজ পদ্মা সতেু মাথা উঁচু করে দাঁড়যি়ছে।ে

শখে হাসনিা বলনে, চলমান করোনাভাইরাস মহামারি এবং রাশযি়া-ইউক্রনে সংঘাত গোটা বশ্বিকইে একটা অস্বস্তকির পরস্থিতিরি মুখোমুখী করছে।ে সরবরাহ চইেন ভঙ্গেে পড়ছে।ে খাদ্য শস্যরে উৎপাদন এবং পরবিহন ব্যাহত হচ্ছ।ে জালানি তলেরে দাম অস্বাভাবকি হারে বৃদ্ধি পযে়ছে।ে বৃদ্ধি পযে়ছেে পরবিহন ভাড়া। ফলে বভিন্নি পণ্যরে দাম বৃদ্ধি পযে়ছে।ে আমরা চষ্টো করছি র্অথনীতরি চাকা সচল রখেে দ্রব্যমূল্য সহনীয় রাখত।ে এই সময়ে আমাদরে সাশ্রয়ী হতে হব।ে অপচয় বন্ধ করতে হব।ে

তনিি বলনে, মে মাসে ব্রটিনেে মুদ্রাস্ফীতি ছলি ৯ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্রে ৮ শতাংশ, ভারতে ৭.৯ শতাংশ এবং তুরস্কে ৫৪.৮ শতাংশ। বাংলাদশেে গত মাসে খাদ্য মুদ্রাস্ফীতি বডে়ে হয়ছেে ৭.৪২ শতাংশ। গড় মূল্যস্ফীতি ৬.২ শতাংশ। আওয়ামী লীগ সরকার জনগণরে সরকার। সাধারণ মানুষরে ভাগ্যোন্নয়নই আমাদরে সরকাররে প্রধান লক্ষ্য। এ বছরই মট্রেোরলে এবং র্কণফুলী নদীর তলদশেে টানলে উদ্বোধন করা হব,ে ইনশাআল্লাহ। ঢাকায় এলভিটেডে এক্সপ্রসেওয়রে নর্মিাণ কাজ এগযি়ে যাচ্ছ।ে আমাদরে নওেয়া মগোপ্রকল্পসহ অন্যান্য প্রকল্পরে কাজও যথারীতি এগযি়ে যাচ্ছ।ে আমাদরে লক্ষ্য ২০৩০-৩১ সালরে মধ্যে এসডজিি পূরণসহ উচ্চ-মধ্যম আয়রে এবং ২০৪১ সালরে মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দশেে পরণিত হওয়া। জনগণরে সহযোগতিায় আমরা অতীতরে প্রতশ্রিুতগিুলোর মত এসব প্রতশ্রিুতওি পূরণ করব, ইনশাআল্লাহ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও পড়ুনঃ
© All rights reserved © 2021 | Powered By Uttoron Host
Site Customized By NewsTech.Com