• শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৮:৫৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
পিরোজপুর জেলা দাবা লীগের পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত পিরোজপুর অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড মেইন রোড শাখা কর্তৃক “প্রবাসীর ঘরে ফেরা ঋণ বিতরণ” বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ভিত্তিক বই পড়া প্রতিযোগীতা এবং পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত পিরোজপুর জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে শিশুদের মৌলিক শিক্ষার উদ্দেশ্যে ” শেখ রাসেল পাঠশালা “উদ্বোধন পিরোজপুর জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সম্প্রীতি সমাবেশ ও শান্তি শোভাযাত্রা জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন উপলক্ষে সুশাসন প্রতিষ্ঠার নিমিত্তে অংশীজনের অংশ গ্রহন সভা অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে সম্প্রীতি সমাবেশ ও শান্তি শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে নানা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে শেখ রাসেল দিবস পালিত পিরোজপুর মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন এর আয়োজনে শতাধিক রোগীদের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প পিরোজপুরে শূন্য থেকে সফল উদ্যোক্তা এম এ মুন্না

পিরোজপুরে ভোট গ্রহণে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে

admin / ৭৮ জন দেখেছেন
প্রকাশের সময়ঃ শনিবার, ১৯ জুন, ২০২১

প্রথম ধাপে ২১ জুন পিরোজপুর জেলার ৭টি উপজেলার ৩২টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে জেলার ৪টি উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে ইভিএম এর মাধ্যমে ভোট গ্রহণ এবং বাকী ২৮টি ইউনিয়নে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হবে। ভোট গ্রহণের দিন চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রশাসন। ভোট কেন্দ্রে ব্যালট পেপার পৌঁছাবে ভোটের দিন সকালে।
জেলার ৩২টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী, জাতীয় পার্টি (এরশাদ), জাতীয় পার্টি (জেপি), ইমলামী শাষনতন্ত্র আন্দোলন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে মোট ১৯১ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রার্থীরা শনিবার শেষ সময়ে প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।
এদিকে, নির্বাচনের শেষ মুহুর্তে এসে বিভিন্ন ইউনিয়নে সহিংসতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীর নির্বাচনী অফিস পুড়িয়ে দেওয়া ও ভাংচুর, মামলা, প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীর কর্মী সমর্থকদের মারধর, ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদান, মোটর সাইকেলের মহড়া, নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘন করে সভা-সমাবেশ করার ঘটনা ঘটছে।
পিরোজপুর সদর উপজেলার টোনা ইউনিয়নে শুক্রবার বিকেলে নির্বাচনী সহিংসতায় প্রতিদ্বন্দ্বি দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর ৪ সমর্থক আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ইউনিয়নের চলিশা বাজারে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতিকের চেয়ারম্যান প্রার্থী ইমরান আলম খান হারুনের সমর্থক আব্দুর মান্নান (৬০) কে মারধর করে চশমা প্রতিকের স্বতস্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী জামায়াত নেতা আব্দুল মান্নানের সমর্থকরা। এ ঘটনার পরে সাড়ে ৫টার দিকে ইউনিয়নের তেজদাসকাঠী কলেজের সামনের গেটে নৌকা প্রতিকের সমর্থকরা হামলা চালিয়ে স্বতন্ত্র চশমা প্রতিকের মিজানুর রহমান (৪৫), মুন্না মল্লিক (৩৩) ও হাসিব মোল্লা (২৫) নামে তিন সমর্থককে মারধর করে। রাত ৯টার দিকে তেজদাসকাঠী কলেজের সামনে বেশ কয়েকটি বোমার বিস্ফোরণ ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কবির হোসেন হাওলাদারের বাড়ি ভাংচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্বতন্ত্র চশমা প্রতিকের প্রার্থী আব্দুল মান্নান।
পিরোজপুর সদর থানার ওসি আ. জা. মো. মাসুদুজ্জামান বলেন, কোন বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেনি। তবে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে।
এদিকে, পিরোজপুর সদর উপজেলার শারিকতলা-ডুমুরিতলা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর নৌকার প্রতিকের নির্বাচনী কার্যালয় ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার ভোররাতে এ ঘটনা ঘটে।
শারিকতলা-ডুমুরিতলা ইউনিয়ন পরিষদে নৌকা মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. আজমীর হোসেন মাঝি অভিযোগ করে জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত ভোর রাতে ইউনিয়নের শনিরহাট এলাকায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থক ও বিএনপির সমর্থকরা এই ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে। এতে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ অফিসে থাকা বঙ্গবন্ধু, শেখ হাসিনার ছবিসহ বিভিন্ন ছবি, নৌকা প্রার্থীর পোষ্টার, লিফলেট, ব্যানারসহ যাবতীয় আসবাবপত্র পুড়ে যায়।
পিরোজপুর সদর থানার ওসি আ. জা. মো. মাসুদুজ্জামান জানান, নৌকা প্রতিকের নির্বাচনী কার্যালয় ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে, গত ১৪ জুন রাতে ভান্ডারিয়ায় উপজেলার ভিটাবাড়িয়া ইউনিয়নের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা খান এনায়েত করিম আনারস প্রতীকের নির্বাচনী অফিস পুড়িয়ে দেওয়া ঘটনা ঘটে। ইউনিয়নের মঞ্জু মার্কেট নামক স্থানে অবস্থিত তার প্রধান নির্বাচনী অফিসে অগ্নিসংযোগ করে পুড়িয়ে দেয়া হয়। এতে অফিসে থাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি, ৭০টি চেয়ার, ৩টি টেবিল, ১টি টেলিভিশন, নির্বাচনী পোষ্টার, লিফলেটসহ বিভিন্ন জিনিষপত্র পুড়ে ছাঁই হয়ে যায়। আগুনে পাশ্ববর্তী জাহাঙ্গীর মাঝির ১টি চায়ের দোকানও পুড়ে যায়। খবর পেয়ে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে এক ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ঘটনায় খান এনায়েত করিম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামী করে ভান্ডারিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
ভান্ডারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাসুমুর রহমান বিশ্বাস জানান, এ ঘটনায় খান এনায়েত করিম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামী করে ভান্ডারিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
পিরোজপুর সদর উপজেলার কলদতলা ইউনিয়নে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর থেকেই আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান মো. হানিফ খান এবং প্রতিদ্বন্দ্বি স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শেখ শিহাব হোসেনের পক্ষের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে একরে পর এক সহিংস ঘটনা ঘটে চলছে। এসব ঘটনায় প্রতিদ্বন্দ্বি চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ দুই পক্ষের লোকজন আহত হওয়াসহ পাল্টাপাল্টি বেশ কয়েকটি মামলাও হয়েছে। এ ইউনিয়নে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রায় প্রতিদিনই চলছে মোটর সাইকেল মহড়া। ইউনিয়নের ভোটারদের মধ্যে ভীতিকর অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে আনারস প্রতিক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ শিহাব হোসেন অভিযোগ করে বলেন, আওয়ামী লীগের নৌকা মার্কার প্রার্থী এবং তার লোকজন তার (শিহাব হোসেন) আনরস প্রতিকের কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ ভোটারদের নানাভাবে হুমকী ও ভয়ভীতি দিয়ে চলছে। নির্বাচন কার্যক্রম শুরু হওয়ার আগে থেকেই নৌকা প্রতিকের প্রার্থী হানিফ খানের নেতৃত্বে বহিরাগত সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে তাদের (শিহাব হোসেন) উপর হামলা করেছে।
তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে প্রতিদিন বহিরাগত লোকজন এসে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় মোটর সাইকেল মহড়া দিয়ে চলছে। এছাড়া নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘন করে সভা-সমাবেশ করে চলছে।
তবে স্বতন্ত্র প্রার্থীর অভিযোগ অস্বীকার করে উল্টো তার উপর সন্ত্রাসী কার্যক্রম করা এবং নৌকা মার্কার কর্মী-সমর্থকদের ভয়ভীতি দেওয়ার অভিযোগ আনেন আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান মো. হানিফ খান। তিনি বলেন, এলাকায় নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করছে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শেখ শিহাব হোসেন। তার লোকজন বিভিন্ন সময়ে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের উপর সন্ত্রাসী হামলা করেছে।
পিরোজপুর সদর থানার ওসি আ. জা. মো. মাসুদুজ্জামান বলেন, কদমতলা ইউনিয়নসহ পিরোজপুর সদর উপজেলার ৪টি নির্বাচনী ইউনিয়নে নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠ এবং স্বাভাবিক রয়েছে। প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় পুলিশ বর্তমানে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। নির্বাচনের দিনে কদমতলা ইউনিয়নসহ অন্য ইউনিয়নগুলোতে ব্যাপক আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে।
এদিকে, আগামী ২১ জুন অনুষ্ঠিত্য প্রথম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পিরোজপুর সদর উপজেলার সব কয়টি ইউনিয়নে চাপের মুখে রয়েছে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা। পিরোজপুরের ৭টি উপজেলার অন্য ইউনিয়নগুলোতেও প্রায় একই অবস্থা বিরাজ করছে। দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থীদের চাপে কোনঠাসা হয়ে পড়েছেন অনেক ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীরা।
পিরোজপুর পুলিশ সুপার হায়াতুল ইসলাম জানান, নির্বাচনকে সামনে রেখে পিরোজপুরে দু’একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া বড় ধরণের কোন সহিংসতার ঘটনা ঘটেনি। আইন-শৃংখলা বাহিনী কঠোর অবস্থায় রয়েছে। ২১ জুনের ইউপি নির্বাচনের দিন পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, আমর্ড ব্যাটেলিয়ন, আনসার ব্যাটেলিয়নসহ বিভিন্ন আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পিরোজপুরে ইউপি নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের জন্য দুই সহস্রাধিক পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে ৫ জন করে পুলিশ ও ১৫ জন করে আনসার ব্যাটেলিয়ন সদস্য মোতায়েন থাকবে। এছাড়া কেন্দ্র এলাকায় পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, আমর্ড ব্যাটেলিয়নের মোবাইল টিম, ষ্ট্রাইকিং ফোর্স সার্বক্ষনিক টহলে থাকবে।
পিরোজপুর জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, ইউপি নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষে আইন-শৃংখলা বাহিনীর ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নে একজন করে ম্যাজিষ্ট্রেট এর নেতৃত্বে একটি করে টিম মাঠে কাজ করবে। জেলার প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নের ভোট কেন্দ্রে ভোট গ্রহণের দিন সকালে ম্যাজিষ্ট্রেট এবং আইন শৃংখলা বাহিনীর তত্বাবধানে ব্যালট পেপার পৌঁছে দেওয়া হবে।
পিরোজপুর সদর উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন শারিকতলা-ডুমুরিতলা, টোনা, কদমতলা এবং কলাখালী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ দলীয় এবং স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ১২ জন প্রার্থী।
শারিকতলা-ডুমুরিতলা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতিকের চেয়ারম্যান প্রার্থী হচ্ছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আজমির হোসেন মাঝি। এ নিউনিয়নে আনারস প্রতিক নিয়ে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান মো. মিরাজুর রহমান রাজু। এছাড়া মোটর সাইকেল প্রতিক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাবেক চেয়ারম্যান মো. মোস্তফা কামাল ফকির।
টোনা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতিকের চেয়ারম্যান প্রার্থী হলেন ইমরান আলম খান হারুন। এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আরও তিনজন প্রার্থী স্বতন্ত্র হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অটোরিক্সা প্রতিক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা ও বর্তমান চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, আনারস প্রতিক নিয়ে মাঠে আছেন সাবেক চেয়ারম্যান এম ডি সোবাহান খান এবং চশমা প্রতিক নিয়ে স্বতন্ত্র চেয়াম্যান প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন জামায়াত নেতা মো. আব্দুল মান্নান।
কলাখালী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনজন প্রার্থী। আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতিকের চেয়ারম্যান প্রার্থী হচ্ছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান চেয়ারম্যান দিদারুজ্জামান শিমুল। আনারস প্রতিক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন হেদায়েতুল ইসলাম (মিস্টার)। অন্যদিকে জাতীয় পার্টি (এরশাদ) এর লাঙ্গল প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করছেন মো. হান্নান মোল্লা।
কদমতলা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতিক নিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান চেয়ারম্যান মো. হানিফ খান এবং আনারস প্রতিক নিয়ে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী হিবেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শেখ শিহাব হোসেন।
নাজিরপুর উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১৬ জন। নাজিরপুর সদর ইউনিয়নে নৌকা প্রতিকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. মোশরেফ হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আনারস প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করছেন উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক চঞ্চল কান্তি বিশ্বাস, হাতপাখা প্রতিকের মো. এজাজ খান, ঘোড়া প্রতিকের রুহুল আমীন ভুইয়া। সেখমাটিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতিকের প্রার্থী আতিয়ার রহমান চৌধুরী, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে আনারস প্রতিক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন নাজিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সমবপাদক ও বর্তমান চেয়ারম্যান মো. মনিরুজ্জামান আতিয়ার, স্বতন্ত্র হাতপাখা প্রতিকের মো. ইউসুফ ভুইয়া, লাঙ্গল প্রতিকের মো. এনায়েত হোসেন, মোটর সাইকেল প্রতিকের মো. সফিকুল ইসলাম। মালিখালি ইউনিয়নে নৌকা প্রতিকের সুমন মন্ডল, স্ততন্ত্র আনারস প্রতিকের মো. রুহুল আমিন বাবুল, মোটর সাইকেল প্রতিকের মো. কামাল হোসেন দারিয়া, হাতপাখা প্রতিকের মাওলানা মো. শাহ আলম।
মাটিভাঙ্গা ইউনিয়নে নৌকা প্রতিকের শ ম বেলায়েত হোসেন, স্বতন্ত্র আনারস প্রতিকের মো. জাহিদুল ইসলাম, হাতপাখা প্রতিকে হুমায়ুন কবির।
ইন্দুরকানী উপজেলায় একটি ইউনিয়নে নির্বাচন হচ্ছে। এখানকার বালিপাড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪ জন। আওয়ামীলীগ দলীয় নৌকা প্রতিকের প্রার্থী মো. কবির হোসেন বয়াতি, স্বতন্ত্র আনারাস প্রতিকে আবু হানিফ খান বাঙ্গালী, জাতীয় পার্টি (জেপি) বাই সাইকেল প্রতিকে মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, হাতপাখা প্রতিকে মো. রুহুল আমিন সেপাই।
কাউখালী উপজেলার ২টি ইউনিয়নে মোট চেয়ারম্যান প্রার্থী ১১ জন। কাউখালী সদর ইউনিয়নে নৌকা প্রতিকের প্রার্থী মো. আমিনুর রশিদ মিল্টন, স্বতন্ত্র প্রার্থী চশমা প্রতিকে মোস্তাফিজুর রহমান, হাতপাখা প্রতিকে মো. জসিম উদ্দিন মোল্রা, বাই সাইকেল প্রতিকে মো. নুরুল আমিন, আনারস প্রতিকে মো. মাহমুদুল খালেক, অটোরিক্সা প্রতিকে মো. মাহমুদুল হাসান, টেবিল ফ্যান প্রতিকে শহিদুল ইসলাম,
আমরাজুড়ি ইউনিয়নে নৌকা প্রতিকে মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আছেন কৃষ্ণ লাল গুহ (কাচি প্রতিক), জেপির বাইসাইকেল প্রতিকে মো. ফিরোজ আলম, ইসলামী হাতপাখা প্রতিকে মো. সাইদুল ইসলাম হাওলাদার।
নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠী) উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে ৪২ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
স্বরূপকাঠী সদর ইউনিয়নে নৌকা প্রতিকে মো. আল আমিন, স্ততন্ত্র আনারস প্রতিকে মো. জাহিদ হোসেন, চশমা প্রতিকে মো. মাশরুল আলম, টেবিল ফ্যান প্রতিকে শফিকুল ইসলাম।
সোহাগদল ইউনিয়নে নৌকা প্রতিকে মো. আঃ রশিদ মিয়া, স্বতন্ত্র মোটর সাইকেল প্রতিকে মাহিনুর, আনারস প্রতিকে মো. সরোয়ার হোসেন।
সারেংকাঠী ইউনিয়নে নৌকা প্রতিকের মো. নজরুল ইসলাম, স্বতন্ত্র আনারস প্রতিকে মো. সায়েম, মোটর সাইকেল প্রতিকে গোলাম মোস্তফা সরদার।
জলাবাড়ী ইউনিয়নে নৌকা প্রতিকে আশীস কুমার বড়াল, স্বতন্ত্র আনারস প্রতিকে তৌহিদুল ইসলাম।
আটঘর কুড়িয়ানা ইউনিয়নে নৌকা প্রতিকে শেখর কুমার সিকদার, স্বতন্ত্র চশমা প্রতিকে সাইফুর রহমান, ঘোড়া প্রতিকে শেখ মো. আসিফ ইকবাল, আনারস প্রতিকে মিঠুন হালদার, মোটর সাইকেল প্রতিকে পঙ্কজ কুমার বিশ্বাস, টেলিফোন প্রতিকে নিলুফা ইয়াসমিন। গুয়ারেখা ইউনিয়নে নৌকা প্রতিকে সুব্রত কুমার ঠাকুর, রজনীগন্ধা প্রতিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম, আনারস প্রতিকে মো. আব্দুর কুদ্দুস সিকদার, চশমা প্রতিকে মো. আঃ রব সিকদার, মোটর সাইকেল প্রতিকে বিজন কৃষ্ণ বেপারী, ঘোড়া প্রতিকে জাকির হোসেন। দৈহারী ইউনিয়নে নৌকা প্রতিকে প্রগতি মন্ডল, আনারস প্রতিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী জাহারুল ইসলাম, মোটর সাইকেল প্রতিকে মো. মিজানুর রহমান মিন্টু।
সুটিয়াকাঠী ইউনিয়নে নৌকা প্রতিকে মো. রুহুল আমিন অসিম, স্বতন্ত্র মোটর সাইকেল প্রতিকে মো. সাইফুল ইসলাম, হাতপাখা প্রতিকে মো. বাদল আলী, আনারস প্রতিকে মো. ফজলুল হক, টেলিফোন প্রতিকে মো. তরিকুল ইসলাম তালুকদার।
বলদিয়া ইউনিয়নে নৌকা প্রতিকে সাইদুর রহমান, স্বতন্ত্র চশমা প্রতিকে মেহেদৗ মাসুদ, ঘোড়া প্রতিকে আরিফুল ইসলাম।
সমুদয়কাঠী ইউনিয়নে নৌকা প্রতিকে মো. হুমায়ুন কবির, চশমা প্রতিকে সজিব বিশ্বাস, মোটর সাইকেল প্রতিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহামুদ করিম সবুর, আনারস প্রতিকে বিধান চন্দ্র রায়, রজনিগন্ধা প্রতিকে দিলীপ কুমার হাওলাদার।
ভান্ডারিয়া উপজেলায় ৫টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। উপজেলার তেলিখালী ইউনিয়নে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী না থাকায় আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতিকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সামছ উদ্দিন হাওলাদার বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। গৌরিপুর ইউনিয়নে নৌকা প্রতিকে মো. নুরুল আমিন, স্বতন্ত্র চশমা প্রতিকে মোসা: পারভীন চৌধুরী, হাতপাখা প্রতিকে মো. নুরুল আলম, আনারস প্রতিকে বদিউজ্জামান টিপু, জেপির বাই সাইকেল প্রতিকে মো. মজিবুর রহমান চৌধুরীসহ আরও ৪ জন সতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন।
ভিটাবাড়িয়া ইউনিয়নে নৌকা প্রতিকে খান এনামুল করিম, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আনারস প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করছেন তারই বড় ভাই সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খান এনায়েত করিম। এছাড়া স্বতন্ত্র চশমা প্রতিকে মো. আনোয়ার হোসেন পান্না, জেপির বাই সাইকেল প্রতিকে মো. মতিউর রহমান বুলবুলসহ আর ৪ জন প্রার্থী রয়েছেন।
নদমুলা শিয়ালকাঠী ইউনিয়নে নৌকা প্রতিকের মো. এমরান হোসেন তালুকদার, জেপির বাই সাইকেল প্রতিকে মো. মেজবাহ উদ্দিন, আনারস প্রতিকে মো. সফিকুল কবির তালুকদার, হাতপাখা প্রতিকে মো. হাবিবুর রহমান।
ধাওয়া ইউনিয়নে নৌকা প্রতিকে মো. আ. রশিদ মৃধা, জেপির বাই সাইকেল প্রতিকে সিদ্দিকুর রহমান টুলুসহ আরও ৩ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী রয়েছেন।
মঠবাড়িয়া উপজেলায় ৬টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোট ৭৫ জন।
তুষখালী ইউনিয়নে নৌকা প্রতিকে মো. শাহজাহান হাওলাদার, স্বতন্ত্র আনারস প্রতিকে মো. সগির মিয়া, জাতীয় পার্টি (এরশাদ) লাঙ্গল প্রতিকে মো. মামুন পঞ্চায়েতসহ আরও ৫ জন স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী রয়েছেন।
মিরুখালী ইউনিয়নে নৌকা প্রতিকের আব্দুস সোবাহান শরিফ, আনারস প্রতিকে মো. আবু হানিফ খান, চশমা প্রতিকে মো. গোলাম মোস্তফা, হাতপাখা প্রতিকে শাহিন মল্লিক। বেতমোড় রাজপাড়া ইউনিয়নে নৌকা প্রতিকে দেলোয়ার হোসেন আকন, আনারস প্রতিকে মো. ইউনুস আলী আকন, চশমা প্রতিকে মোসা: মাজেদা বেগমসহ আরও ৬ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী রয়েছেন।
গুলিশাখালী ইউনিয়নে নৌকা প্রতিকে মো. রিয়াজুল আলম, আনারাস প্রতিকে মো. নাসির উদ্দিন, চশমা প্রতিকে মিরাজ মাহমুদ, হাতপাখা প্রতিকে আবেদিন।
সাপলেজা ইউনিয়নে নৌকা প্রতিকের কোন প্রার্থী নেই। এখানে ৭ জন স্বতন্ত্র এবং ১ জন ইসলামি শাষনতন্ত্র আন্দোলনের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আমরাগাছিয়া ইউনিয়নে নৌকা প্রতিকের মোসা: সারমিন জাহান, আনারস প্রতিকে মো. সুলতান মিয়া, লাঙ্গল প্রতিকে শফিকুল ইসলামসহ আরও ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।


একই ধরনের আরও খবর
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!