• শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
পিরোজপুর জেলা দাবা লীগের পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত পিরোজপুর অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড মেইন রোড শাখা কর্তৃক “প্রবাসীর ঘরে ফেরা ঋণ বিতরণ” বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ভিত্তিক বই পড়া প্রতিযোগীতা এবং পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত পিরোজপুর জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে শিশুদের মৌলিক শিক্ষার উদ্দেশ্যে ” শেখ রাসেল পাঠশালা “উদ্বোধন পিরোজপুর জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সম্প্রীতি সমাবেশ ও শান্তি শোভাযাত্রা জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন উপলক্ষে সুশাসন প্রতিষ্ঠার নিমিত্তে অংশীজনের অংশ গ্রহন সভা অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে সম্প্রীতি সমাবেশ ও শান্তি শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে নানা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে শেখ রাসেল দিবস পালিত পিরোজপুর মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন এর আয়োজনে শতাধিক রোগীদের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প পিরোজপুরে শূন্য থেকে সফল উদ্যোক্তা এম এ মুন্না

পিরোজপুরে আবারো ৫শত গ্রাহকে অর্ধকোটি টাকার বেশি নিয়ে উধাও এনজিও

admin / ৩২৫ জন দেখেছেন
প্রকাশের সময়ঃ সোমবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২১

এহসান গ্রুপের পরে এবার পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে গ্রাহকদের অর্ধকোটিরও বেশি টাকা নিয়ে ‘সকস বাংলাদেশ’ নামের একটি এনজিও উধাও হয়েছে। গত ১৩ এপ্রিল এনজিওটি উপজেলার বাইপাস সড়কের পাশে তাদের ভাড়া নেওয়া বাসাটিতে তালা ঝুলিয়ে পালিয়ে যায়।
এনজিওটির ভুক্তভুগি গ্রাহকরা জানান, প্রায় ২ মাস ধরে উপজেলার ইন্দুরকানী সদর ও পত্তাশী ইউনিয়ন ছাড়াও পার্শবর্তী এলাকায় ঘুরে গ্রাহক সংগ্রহ করে। এরপর তাদেরকে অন্যান্য এনজিও’র মত ১০ হাজার টাকা ঋণের বিপরীতে ১,০০০ টাকা সঞ্চয় জমা নেয়। এভাবে প্রতি গ্রাহকের কাছ থেকে ৩,০০০ টাকা থেকে ১৫,০০০ টাকা সংগ্রহ করে ওই এনজিওটি। এরপর গত ১৩ এপ্রিল লোন নিতে গিয়ে এনজিওটি’র অফিসে তালা ঝুলতে দেখেন ঋণ গ্রহীতারা। এনজিওটি দ্বারা প্রতারিত গ্রাহকদের অধিকাংশই দরিদ্র শ্রেণির।
প্রতারণার শিকার গ্রাহকরা জানান, করোনা ভাইরাসের সংক্রমনের এই সময়ে বর্তমানে অধিকাংশ এনজিও ঋণ দেওয়া বন্ধ রাখায়, তারা ‘সকস বাংলাদেশ’ এর প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিলেন। আর সেই ঋণের টাকা নিয়ে কেউ গাড়ির ব্যাটারি ক্রয়, অন্যের ঋণ শোধ কিংবা নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে চেয়েছিলেন।
এনজিও’র দ্বারা কত গ্রাহক প্রতারিত হয়েছে তা জানা যায়নি। তবে প্রতারিত গ্রাহকদের ধারণা এ সংখ্যা ৫ শতাধিক।
প্রতারিত গ্রাহকদের একজন মনিরা আক্তার জানান, তিনি ৬০ হাজার টাকা ঋণ পাওয়ার জন্য ওই এনজিওটিকে অন্যের কাছ থেকে ধার নিয়ে ৬ হাজার টাকা সঞ্চয় হিসেবে জমা দেন। এছাড়া ওই এনজিওটিতে ভর্তির জন্য তারা জনপ্রতি আরও ২০০ টাকা পরিশোধ করেন। বর্তমানে সেই ধারের টাকা পরিশোধ করা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন মনিরা।

এ বিষয়ে ভাড়া নেওয়া বাসাটির মালিক সবুজ হাওলাদার জানান, সে এপ্রিল মাস থেকে ওই এনজিওটিকে বাসা ভাড়া দেন। তবে তাদের সাথে লিখিতভাবে চুক্তি করার আগেই তারা ঘরটিতে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যায়। এরপর তিনি বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরকে জানিয়েছেন।

তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কেউ কোন লিখিত অভিযোগ দেয়নি বলে জানান ইন্দুরকানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ হুমায়ুন কবির। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলেও জানান তিনি।

 


একই ধরনের আরও খবর
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!